মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৪, ১২:৪৫ পূর্বাহ্ন
Title :
কুড়িগ্রামে আবিষ্কৃত টেলিস্কোপ দেখতে মানুষের ভিড়> ৭১বার্তা লিবিয়াতে ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস পালিত> ৭১বার্তা কুড়িগ্রামে পুকুরে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু> ৭১বার্তা ফুলবাড়ীতে অবহিতকরণ কর্মশালা> ৭১বার্তা চিলমারীর ব্রহ্মপুত্রের তীরে অষ্টমী স্নানে লাখো হিন্দু সম্প্রদায়ের ঢল > ৭১বার্তা বাস-পিকআপে সংঘর্ষে ফরিদপুরে ১১জন নিহত> ৭১বার্তা লিবিয়াতে বৈশাখী উৎসব পালিত > ৭১বার্তা লঞ্চের ধাক্কায় সদরঘাটে পাঁচ জনের মৃত্যু > ৭১বার্তা কুড়িগ্রাম জেলা বাসিকে ঈদুল ফিতরের  শুভেচ্ছা জানিয়েছেন জেলা প ,প কর্মকর্তা > ৭১বার্তা কুড়িগ্রামে বিদেশি মদসহ কুখ্যাত মাদক কারবারি গ্রেফতার> ৭১বার্তা

পোকা মাকড় ধরার নেশা থেকে দুনিয়ার সেরা গেম মেকার- ৭১বার্তা

মোস্তাফিজার বাবলু
  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ১১ আগস্ট, ২০২৩
  • ২৩৬ বার পঠিত
অল্প বয়সের একটা ছেলে। যার সমস্ত আবেগ ছিল পোকা মাকড় ধরায়। এই ধরনের পতঙ্গকে খোঁজার  কাজে ছেলেটা ঘণ্টার পর ঘণ্টা ব্যয় করতো। দ্রুতই সে বুঝতে শেখে তার এই আবেগ কেবলই কীটপতঙ্গ ধরার মাঝে সীমাবদ্ধ নয়।  সূত্র: একাত্তর টিভি
ছেলেটির একটাই লক্ষ্য ছিলো-এমন একটা জগৎ তৈরি কার যে জগতে থাকবে কেবলই তার কীটপতঙ্গ, একটা জগত যেখানে সে সব ধরনের পোকামাকড় আবিষ্কার করতে পারবে। এবং তা সংগ্রহ করতে পারবে। সে এটা বাস্তবেই করতে চেয়েছিল। কিন্তু সে জানত না তার এ স্বপ্ন কিভাবে সম্ভব হবে। ছেলেটা হয়তো জানতো না তার এ স্বপ্ন দুনিয়ার সব থেকে বড় ভিডিও গেইম ফ্রানচাইজিতে পরিণত হবে।

“পোকেমন” বিস্ময়কর যাত্রায় কিভাবে দুনিয়ায় ঝড় তুললো। ১৯৬৫ সাল জাপনে পৃথিবীর আলো দেখেন সাতোসী তাজেরী। শিশু তাজেরী বন-জঙ্গলে ঘুরে বেড়াতেন আর পোকা মাকড় ধরতেন। তিনি ছিলেন ভিডিও  গেমের পোকা। অবসর সময়ে তিনি স্থানীয় আর্কডে ভিডিও গেইম খেলেই কাটাতেন।

১৯৮২ মালে বন্ধুদের নিয়ে গেম ফ্রিক নামে একটা ম্যাগাজিন ও তৈরি করেছিল সে। এখানেই তার সাথে পরিচয় হয় কেন সুজিমরির যিনি পোকেমনের চিত্রকর। সাতোসী তার পরিকল্পনা সাজাতে থাকেন মুজিমরিকে নিয়ে। নতুন গেম  তৈরি করার পরিকল্পনায় ছিলেন সাতোসী যেখানে তার ছোটবেলা সংগ্রহ করা পোকা মাকড় জীবন্ত হয়ে উঠবে।

তিনি তার আইডিয়া নিয়ে গেলেন বড় গেইম  কোম্পানি নিনটেন্ডোর কাছে। যেখানে গেমাররা নিজেদের পোকামাকড় সংগ্রহ করবে এবং লড়াই করবে। নিনটেন্ডো এই প্রজেক্টে সন্তুষ্ট হয়নি। তারা ভেবে ছিল গেমাররা এটা পছন্দ করবে না। কিন্তু সাতোসী পিছু হাঁটলো না। তিনি দিনে ১৮-২০ ঘন্টা এক নাগারে কাজ করতে শুরু করলেন। এরং নিনটেন্ডোকে আরেকটি সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ জানালেন।

নিনটেন্ডো কিংবদন্তী গেম মেকার সিগুরু নিয়ামতোর সাথে সাতোসীর কাজ করার সুযোগ করে দিলেন। ৬ বছর টানা কাজ করলো তারা। ১৯৯৬ সালে ২৭ ফেব্রুয়ারি ‘পকেট মন্সটার’ বাজারে ছাড়া হলো। এর ২ টি ভার্সন ছিলো লাল এরং সবুজ। ফ্রানচাইজিটি যুক্তরাষ্ট্র সহ বিভিন্ন দেশে ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে উঠে।

নিনটেন্ডো এ জনপ্রিয়তা দেখে গেমটির তৃতীয় ভার্সন নিয়ে আসে। পকেট মনস্টার ব্ল্।ু যার নাম বদলে করা হয় পোকেমন। ১৯৯৮ সালে ইংরেজিতে কথা বলার দেশগুলোতে পোকেমন ব্লু এবং পোকেমন রেড নামে গেম মুক্তি পায়।

হুহু করে বিক্রি হয় লাখ লাখ কপি। অল্পতেই জনপ্রিয় হয় উঠে গেমটি। পরবর্তী বছরগুলোতে পোকেমন গেমে আরও ৭ টি জেনারেশন রিলিজ হয়। বর্তমানে ৮৮৯টি প্রজাতির পোকেমন আছে। সম্পাদনা: শেখ মওদুদ আহমাদ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো কিছু জনপ্রিয় সংবাদ
© All rights reserved © 2023 71barta.com
Design & Development BY Hostitbd.Com